আরব্যরজনীর ঘোড়া

  • প্রকাশ: ২০১৬
  • আই এস বি এন: 978-984-8856-38-0
  • পৃষ্ঠা: ৮০
  • বাঁধাই: বোর্ড বাঁধাই
  • মূল্য: ১৫০

ল্যাতপ্যাত করছে অবদমন। অন্যদিকে বাইকের স্পিডে পিঠমোড়া উন্মত্ততা আর ব্রেক কোনো কারণ ছাড়াই অথবা বেশি জড়িয়ে পড়লে নিমেষেই থুতু—সম্পর্কগুলো অপটিমিস্টিকে ভুগছে না। নারী নিজেকে বেশ্যা শুনে যাচ্ছে যেমন, পুরুষের ছুঁকছুঁকে খাসলতকেও এক্সপ্লয়েট করছে সমান খুঁটিনাটিতে। চরিত্রদের কিন্তু কনফেশনাল কোনো প্রার্থনালয়ে হাজির করেননি মাসুমুল আলম। তাই বিলাপের কেচ্ছা না হয়ে চোখে আঙুল ঠেকায় অবদমন আর যৌনতার জেনারেশন গ্যাপ। নারী-পুরুষের নানামুখী সম্পর্কের বিস্তার অস্বস্তিকর এক জীবনবোধের সামনে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে। প্রশ্ন জাগে, উচ্চাকাঙ্ক্ষা নাকি কেবল ইউফোরিয়া। হয়তো প্রেমগুলো পজেসিভ হয়ে ওঠে।    
এই আখ্যান তিন নারীর আত্ম-কাহিনী না আসলে, নারীর চোখ দিয়ে দেখা। প্রতিটি পর্ব শেষে প্রতিবেদকরূপে এক পুরুষচরিত্র হাজির হয়ে পাঠককে ধন্দে ফেলে দিচ্ছে কথকত্রয়ের সত্যতা নিয়েই। হয়ে উঠছে বাস্তব-অবাস্তবের ফিউশন। এমনকি প্রতিবেদকের আইডেন্টিটিও ধাঁধাঁময়। সাহিত্য বাস্তবের রিপোর্টাজ না, বহু এককের মিশেলে উপলব্ধিগত এক বিনির্মাণ, সে চরিত্র বা ঘটনা যেটাই হোক। মাসুমুল আলম হয়তো নাম-চরিত্র-ঊর্ধ্ব এক অবলোকনকে সামনে আনতে চেয়েছেন। এদিকে, পিতা আর পুত্রদ্বয়ের সাথে কোনো না কোনো ভাবে তিনজন পৃথক নারীর সংযোগ সমাজ-বলয়ে ক্রসকানেকশন হবার সম্ভাবনা জিইয়ে রেখেছে — আবহমান লক্ষণ থেকে কতোটা বিচ্ছিন্ন ব্যক্তি?       
এই উপন্যাস চলতি এক মনোজগতের উপাখ্যান, এবং যে মধ্যবিত্ত মহাচেতনা দ্বারা চালিত হচ্ছে না মোটেই। 

  • সাগর নীল খান
 
Ulkhar