Home নির্বাচিত লেখা শোয়েব শাদাবের কবিতা সংগ্রহ । মারুফুল আলম ।। ভূমিকা

শোয়েব শাদাবের কবিতা সংগ্রহ । মারুফুল আলম ।। ভূমিকা

শোয়েব শাদাবের কবিতা সংগ্রহ  ।  মারুফুল আলম ।। ভূমিকা
0
0

বই:  শোয়েব শাদাবের কবিতা সংগ্রহ / কবিতা, ২০০৯ / উলুখড়।।

 

স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের কবিতায় সংহত, সত্য, সুন্দর, স্বতঃস্ফূর্ত ও সহজাত কাব্যপ্রতিভায় অতুলনীয় কবি শোয়েব শাদাব আশির দশকের শুরুতেই স্বতন্ত্র এবং অসাধারণ মৌলিক একটি ভিন্ন কন্ঠস্বর নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। তাঁর কবিতা অতীব সহজেই পাঠকের হৃদয় স্পর্শ করে। আর লক্ষ না-করে উপায় থাকে না যে, মধ্যবিত্তের প্রচলিত শব্দবোধের বিরুদ্ধ অভিঘাতে প্রচলিত বাংলা কবিতার ক্লান্তিকর আধুনিকতা, অবক্ষয় এবং প্রাচ্যকাব্যচৈতন্যের সুর ও স্বরের ব্যঞ্জনাসমৃদ্ধ, ইঙ্গিতধর্মী, প্রত্নসংবেদনময় অভিনব এক কাব্যভাষায় বাংলা কবিতায় সচেতন অবিজ্ঞানে প্রণয়ন করেছেন বিশ্ব প্রকৃতি ও মানব ইতিহাসের অন্তর্গত সত্যের আবিষ্কার, সুদূর প্রস্তরযুগের আদিম মানুষের উপাখ্যান, মানুষ ও প্রকৃতির সঙ্গতিময় অথৈ ঐশ্বর্যে নিঃসরিত সভ্যতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মনঃসমীক্ষণজাত আন্তর্বয়ন এবং স্মৃতিসত্তা ও সময়ের উপাদানে গড়ে ওঠা ঐতিহ্য-চেতনাগামী অভিনব কবিতায় নান্দনিক কারুকাজ।

বিষয়-আশয়ে শোয়েব শাদাব তাঁর কবিতায় বেছে নিয়েছেন আদিম মানব সমাজ, প্রকৃতি, আদিম চিত্রকলা, টোটেম-ট্যাবু, গুহাচিত্র, লোকসংস্কৃতি, নারী এবং এস্কিমোদের অনুসঙ্গ। তাঁর কবিতা প্রতীকী ব্যঞ্জনায় সমৃদ্ধ অথচ বক্তব্যে সরল, স্পষ্ট। প্রাজ্ঞ-পাঠক মাত্রই জানেন শাদাবের কবি-মনে রয়েছে উড়াল দেবার কী প্রচণ্ড শক্তি। কবি ও তাঁর কবি-মন অতীতকে বর্তমানের চোখে দেখে নতুন করে তার নির্মাণ করেন, আর এভাবেই মানব ইতিহাসের অন্তর্গূঢ় সত্যের আবিষ্কারে তাঁর কবিতায় অবিনাশী সৌন্দর্যের স্বতঃস্ফূর্ত উন্মোচন পরিলক্ষিত হয়। বলাই বাহুল্য, এ প্রচেষ্টাই মূলত আশির দশকের কবিতায় শোয়েব শাদাবকে স্বতন্ত্র এবং মৌলিক অবস্থানে নিয়ে আসে। মানব ইতিহাস ও প্রকৃতির অফুরন্ত ঐশ্বর্যের কাছে অবনত ইতিহাস সচেতন এই কবি ইতিহাসের ঐতিহ্যিক-জেনেটিক প্রত্যয়কে পাথেও করে আদিম এষণে; ক্রমাগত খুঁজে বেড়াচ্ছেন আদিম মানুষ, তাদের যূথবদ্ধতা, প্রিমিটিভ জীবন-জীবিকা, অন্তর্গত অসহায়তা, এবং সংগ্রামের জীবন চিত্র – কখনো শিকারের মধ্য দিয়ে কখনো সিংহের থাবা ও কেশরের উদ্দামতায়, কখনো হাঁড়ের হার্পুনে তিনি পথ হাঁটেন আর শিং-এর গাইতি ও হাতির দাঁতের সুপ্রাচীন হাতিয়ারে চূর্ণিত করেন নক্ষত্র। লোকজ যাত্রায় শোয়েব শাদাবের পথ হাঁটা – কবি এভাবেই বর্তমান সময়ের উৎপত্তি থেকে হাঁটতে-হাঁটতে পৌছে যাচ্ছেন সভ্যতার আদিউৎসমূলে। হ্যাঁ, শোয়েব শাদাব আদি-গাথা বিনির্মানের কবি; তাঁর বুকের ভেতর অহরহ টমটম করে গুহামানবের কবোষ্ণ গোরের ভয়াবহ আদিমতা, স্বপ্নের ডানায় নেমে আসে সংখ্যাহীন সিল্কের বালিশ এবং ‘পলিওলিথিক সূর্য ছড়ায় কলেরা-রোদ’, তবু কবির রাত্রি কাটে মেরুভালুকের পেছনে পেছনে, ভয়-আতংক, অস্থিরতা, অনিশ্চয়তা ও অবসাদগ্রস্ততায় ডুবিয়ে দেয় ‘ঘোড়ার লিঙ্গের মতো ভয়’। প্রাগৈতিহাসিক অন্ধকূপে পড়ে থাকে বিকল জন্তুর মতো পঙ্গুতায় আর স্তব্ধ-পরাধীনতায় তবু ‘তার রক্তের গভীরে যেন ঘাই মারে বিষধর শিং’, ‘গুটি গুটি ভল্লুকের’ মতো হিম রাত্রির আগমনে নীরব দর্শক হয়ে গুহাবাসী আদিম মানুষের সাথে সাথে হাঁটতে থাকেন প্রত্নসংবেদনময় প্রস্তর যুগের মর্মর।

আসুন, কবি শোয়েব শাদাবের কবিতার গ্রন্থসমূহ থেকে উজ্জ্বল ও চিত্ররূপময় কিছু পংক্তি শোনা যাক –

১. নষ্ট দ্রাঘিমায় এসে গেছি হে দেবদূত!

[স্বগতোক্তি, অশেষ প্রস্তরযুগ]

২. গড়িয়ে গড়িয়ে যাই

  বুকে পিঠে হাঁটা একজন পা কাটা মানুষ

  নিমখুন

[আবহমান, অশেষ প্রস্তরযুগ]

৩. ডুবে মরি শৌও শৌও শুন্যতায় সত্তার বৃংহন!

   রক্তে পড়েছে ঢুকে বিসংবাদী বজ্রকীট, এই তৃষ্ণা!

   খাই চক্ষু খাই হৃদপিণ্ড, কাঁচা কাঁচা, জন্মেই আমি আত্মভূক

          ঐ আসে ঝাঁকে ঝাঁকে সংখ্যাতীত লাল পিপীলিকা

[অযনীপৃথিবী, অশেষ প্রস্তরযুগ]

৪. প্রত্ন-গবেষক-চোখে চিহ্নহীন দুর্লভ ফসিল

  যা কিনা জাগাবে ধীরে অনুরূপ বানর-সভ্যতা

  ডালে ডালে মাংস ফুঁড়ে শুন্যতার অলৌকিক ফলে

  কীটের উৎসব, আর দীর্ঘ লেজের নৃত্যঝড়

[হেমলক বৃক্ষ, অশেষ প্রস্তরযুগ]

৫. একটি পাখির ডাক

  নক্ষত্রের রূপ হয়ে ভেসে ওঠে অজস্র আকাশে

  উজ্জ্বল সমুদ্রের মতো।

[নক্ষত্র বা পাখির ডাক, প্রকৃতি ও রংতুলি]

৬. কাঁঠালপাতায় কাকের আত্মা পড়ে থাকে।

   মনে হয় চীনেমাটির প্লেটে

   গোখরা সাপের মনি।

[রত্ন, প্রকৃতি ও রংতুলি]

৭. কৃষ্ণের বাঁশি বিষ

  পারদের মত নেমে গেলে ঢালুপথে

  বমনে উগরে দেয় রূপান্ধ রাত্রির অজগর

  লাল সূর্য উঠে আসে পর্বত শিখরে।

[নরকের পার্ক, অশেষ প্রস্তরযুগ : দ্বিতীয় পর্ব]

৮. আর জ্যোৎস্নায়

   আকাশের কাশবন থেকে

   অজস্র ধারায় নেমে আসে চিত্রল হরিণ

[অশেষ প্রস্তরযুগ : দ্বিতীয় পর্ব]

তাঁর কবিতায় আমরা দেখি – সাপের অলীক পায়ে ভর করে চলেছে পৃথিবী, বিশাল অজগর হয়ে শুয়ে থাকে পিচপথ, জেব্রা ক্রসিং থেকে ডোরাকাটা অসংখ্য জেব্রা ছুটে যায় ডানে-বাঁয়ে, দিশেহারা, দিগ্বিদিক। যে ছিল কবিতার প্রাচীন পুরুষ বৃক্ষবাসী আদি প্রাইমেট তার ‘নীলিমারে কোলে ছিন্নভিন্ন নীল ঈগলের ডানা’ সে ‘আকাশের স্কন্ধ থেকে ছিঁড়ে আনলো প্রাচীন সূর্যটা’, সূর্যদেবতার শক্তি ছিলো তার বাহু ও রোমশ শরীরে, পর্বতে পর্বতে বিচরণ করা সত্যের আর সুন্দরের পাখিকে সে হিংস্র ছদ্মবেশে শিকার করে। মূলত তাঁর কবিতায় নৈঃশব্দ, সময়ের হলুদ অসুখ, আতংক-অস্থিরতা-অসহায়ত্বের পাশাপাশি ছাল-চামড়া ছাড়ানো দগদগে আদিমতা আর মানুষ ও প্রকৃতির প্রতি প্রগাঢ় অনুরাগ ঠাসাঠাসি হয়ে আছে। বলাই বাহুল্য, আধুনিকোত্তর বাংলাদেশের কবিতায় কবি শোয়েব শাদাব ‘অশেষ প্রস্তরযুগ’ কাব্যগ্রন্থে যে সচেতন নান্দনিক উৎকর্ষের সূচনা করেছেন, তাঁর পরবর্তী দু’টি কাব্যগ্রন্থে ‘প্রকৃতি ও রংতুলি, ‘অশেষ প্রস্তরযুগ : দ্বিতীয় পর্ব’-এ তা আরও পূর্নতা পেয়েছে। ‘প্রকৃতি ও রংতুলি’ শীর্ষক কাব্যগ্রন্থে শাদাব জানাচ্ছেন – ‘আমার পিতার একটি উজ্জ্বল রংমহল ছিলো/ আমাদের নিঃসন্তান মায়েরা সেখানে নাচতো’। শুদ্ধতম শিল্প প্রসংগে – আসুন, দেখি, কবি কী বলছেন – ‘আজি আমি পৃথিবীর শুদ্ধতম শিল্পের বারোটা বাজাবো/ সত্য ও মিথ্যার বুক চিরে খেয়ে নেব সবটুকু হৃদপিণ্ড’ [সোনাটা, প্রকৃতি ও রংতুলি]। কিম্বা নক্ষত্র ও কবিতায় তুল্যমূল্যে শাদাব ইতিহাস ও ঐতিহ্য-চেতনাকে চিত্রিত করেছেন এভাবে – ‘হাজার সমুদ্র পাড়ি দিয়ে দিয়ে/ আজ তবে মনে হল সমুদ্রের কথা। / নক্ষত্র, সে যদি সমুদ্র হয়/ আমার কবিতা তবে ইতিহাস/ আর ইতিহাস সে তো হাজার নক্ষত্র কিম্বা জিসাসের আত্মা’। লক্ষণীয় যে, কবি শোয়েব শাদাব কবিতার পরতে-পরতে অগণন চিত্রকল্পের শৈল্পিক ও সুনিপুণ প্রয়োগ ঘটিয়ে আশির কবিতায় সংযুক্ত করেন নিগূঢ় দ্যোতনাসমৃদ্ধ-চিত্রধর্মী-সৌন্দর্ময় একটি অবয়ব – যা তাঁর কবিতায় উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য বটে।

যদিও শোয়েব শাদাবের কবিতা পাঠের অভিজ্ঞতা নতুন কবিতা পাঠে অনভ্যস্ত পাঠকের জন্য সব সময় সুখকর না-ও হতে পারে। কবিতায় ব্যবহৃত উপমা-উৎপ্রেক্ষা-চিত্রকল্প, সমাজ চেতনা, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও প্রকৃতির মায়ামুগ্ধ অভিনব উপস্থাপন শাদাবের কবিতা প্রসঙ্গে নিঃসন্দেহে পাঠকের গভীরতর মননশীলতা এবং মনোযোগ দাবি করে। আবার কোনো কোনো মেধাবী পাঠক হয়তো বা তাঁর কবিতায় সংস্কৃত-ঘেঁষা-শব্দ ব্যবহারে সুধীন্দ্রীয় প্রভাব ছাড়াও অন্যান্য বিষয়ে জীবনানন্দ দাশ, ওয়ার্ডসওয়ার্থ  এবং আরো কোনো কোনো কবির ছায়া যৎসামান্যই আবিষ্কার করতে পারবেন।

শোয়েব শাদাব আপাদমস্তক কবি, হ্যাঁ কবি ছাড়া তিনি আর কিছুই নন। তাঁর কাব্যচর্চা ও জীবন-যাপন ছিল একইরকম। একটিকে আরেকটি থেকে পৃথক করা বেশ দুরূহ। প্রকৃতপক্ষে তাঁর কবিতাচর্চা ও শিল্পবোধ ছিল যেন এস্টাবলিশমেন্টের বিরুদ্ধে সচেতন প্রতিবাদ ও বিরোধিতায় সক্রিয়। পূর্বেই  বলেছি, কবিদের মধ্যে তিনিই একমাত্র কবি, যিনি প্রথম আত্মপ্রকাশের পর সঙ্গে-সঙ্গেই কবি হিশেবে মৌলিকতার স্বীকৃতি আদায় করে ছেড়েছিলেন। শুধুমাত্র লিটলম্যাগাজিনে কবিতা লিখেই কবি শোয়েব শাদাব তাঁর সময়ে কিংবদন্তিতুল্য কবি খ্যাতি অর্জন করেন। কবি তার ইহজাগতিক জীবনের সমস্ত অন্ধকারকে দূরে রেখে শুধুমাত্র কবিতার ধ্যানে নিমজ্জিত হয়েছিলেন। কিন্তু চরম অসাম্যের পথে সমাজ-অসারতার পাঁকে পড়ে, অতর্কিতে কবি শোয়েব শাদাব হত্যাপ্রবণ-আততায়ী-সময়ের হাতে একদিন নিজেই খুন হয়ে গেছেন। প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী, গতিশীল আর লম্বা ছিপছিপে এই কবির পোষাকও ছিল অদ্ভূত। পরনে নীল জিন্স, গায়ে কালোশার্ট এবং মাথায় ‘হ্যাট’ আর ‘পাইপ’ অথবা ‘সিগার’ হাতে আশির দশক-কাঁপানো কবি আজ কবিতা থেকে যোজন-যোজন দূরে, ত্রিশালে তাঁর গ্রামের বাড়িতে শেকলবন্দী হয়ে গভীর নির্জনতায় সময় পাড়ি দিচ্ছেন।

কবি শোয়েব শাদাব জন্মেছিলেন ময়মনসিংহের ত্রিশালে। সেখানেই কেটেছে তার শৈশব ও কৈশোর, রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রিকতায় সাহিত্যিক বিকাশ, লিটলম্যাগাজিনেই (অনিন্দ্য, সংবেদ, গাণ্ডী্ব) কবিতা লিখতেন। এমনকি আজও আন্দোলনের একনিষ্ঠ কর্মী হিশেবে লিটলম্যাগাজিন মুভমেন্টের নানান বিপদজনক পরিস্থিতিতে তাঁর সচেতন প্রতিরোধ-প্রবণতা আমাদেরকে সম্মুখে এগিয়ে যেতে প্রণোদিত করে। বাজারি মিডিয়াকে প্রত্যাখানের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শুধুমাত্র লিটলম্যাগাজিনে লিখেই ঈর্ষণীয় আর কিংবদন্তি তুল্য যে কবি-খ্যাতি শাদাব পেয়েছিলেন বাংলা কবিতায় আজও তা স্মরণীয় হয়ে আছে। অন্য কোনো কিছুই তিনি আর লেখেননি, শুধুমাত্র কবিতাকেই ধ্যান-জ্ঞান করে জীবন বাজি রেখে, কবিতার ঘোরে বুঁদ হয়ে দু’হাতে লিখেছেন, স্বাধীন-স্বতন্ত্র কবিতা ধারায় নবোৎসারিত অসংখ্য স্বতঃস্ফূর্ত কবিতা। প্রকৃতপক্ষে, শাদাব বাংলা কবিতাকে পৌছে দেন সভ্যতার প্রাক এবং চলমান বিবর্তনে আর বিশ্ব প্রকৃতি ও অশেষ প্রস্তরযুগের রহস্যময় আতীব্র বোধের চূর্ণিত জগতে – যা মূলত আধুনিকোত্তর বাংলাদেশের কবিতায় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অনুসন্ধান এবং নান্দনিক উৎকর্ষের একটি নতুন ধারার সূচনা করেছে।

সন্দেহ নেই, ‘উলুখড়’ প্রকাশনার সাগর নীল খান কবি শোয়েব শাদাবের কবিতা সংগ্রহ করে পাঠক সমাজের কুতজ্ঞতা ভাজন হয়েছেন। ছোটকাগজের প্রকশনা উলুখড়ের উদ্যোগকে আমরাও সাধুবাদ জানাই। হয়তো বা আমাদের অগোচরে তাঁর আরো কিছু কবিতা বিচ্ছিন্নভাবে, আশির কোনো-কোনো লিটলম্যগাজিনে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকলেও থাকতে পারে। অবশ্য সেক্ষেত্রে, গ্রন্থটির পরবর্তী সংস্করনের জন্য আমাদের অপেক্ষা করা ছাড়া আপাতভাবে আর কোনো গত্যন্তর নেই। আর কে না জানে, কবি ও কবিতা বিষয়ক আলোচনা পাঠের চেয়ে তাঁর কবিতাবলী পাঠ করা ভীষণ জরুরী। হ্যাঁ, বাংলাদেশের কবিতায় যাদের কবিতা আমরা বারম্বার পাঠ করবো, কবি শোয়েব শাদাব নিঃসন্দেহে তাদের অন্যতম।